«

»

হাসিন হায়দার – আমার প্রোগ্রামিং শেখা :)

আমার জীবনে প্রথম কম্পিউটার দেখা ১৯৯৬ সালে, পাড়ায় একটা দোকানে কম্পিউটার শেখানোর দোকানে – আমি তখন ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি। কিন্তু ঐ দেখা পর্যন্তই। আমার সেজ বোন তখন অফিসের কাজের জন্য একটা জায়গায় ওয়ার্ড পারফেক্ট, ডস, লোটাস এইগুলো শিখত, কিন্তু আমি অনেক রিকুয়েস্ট করার পরেও আমাকে বাসা থেকে সুযোগ দেয়া হল না। অজুহাত হিসেবে দেখানো হল যে “আমাদের তো কম্পিউটার নাই তাই শিখে তোমার কোন লাভও নাই – বরং ভুলে যাবা আর খামাখা টাকা গুলাও নষ্ট হবে”। আমার বোনের সহকর্মী একজন আগুনে আরো ঘি ঢাললো মাথা নেড়ে।

আমার পুরাই জেদ চেপে গেল, নাহ শিখতে আমাকে হবেই। পাশের বাসায় রাহী নামে একজন থাকত। সেও শিখত সেই সময়, দুপুর বেলা একসাথে গল্প করার সময় আমার কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেয়ার জন্য গল্প করত কম্পিউটারে কত রকমের গেমও খেলা যায়। ও গল্প করে আর আমি বসে বসে আমার সেজ বোনকে অভিসম্পাত করতে থাকি আমাকে শিখতে না দেয়ায়। মাঝে মাঝে ওর নোট দেখি – কিন্তু নোট দেখে কি আর শেখা যায়।

কলেজ থেকে প্রায়ই রংপুর পাবলিক লাইব্রেরীতে চলে যেতাম বই পড়ার জন্য। ওখানে দেখলাম কম্পিউটারের অনেক গুলো রংচঙে বই। লোটাস, ডিবেজ, ডস, ওয়ার্ডপারফেক্টের উপরে। আমি বই নিয়ে উল্টে পাল্টে দেখি। পড়ার চেষ্টা করি – কিন্তু আমার মাথায় ঢোকে না মাউস জিনিসটা কি, কিভাবেই বা কাজ করে। দুই একদিন পড়ার পর বুঝলাম যে নাহ, এভাবে হবে না – কারন আমি কম্পিউটার ধরেই দেখি নি, তাই অনেকগুলো শব্দের কোন মানে জানি না। এর মাঝে একদিন একজনের সামনে কীবোর্ডকে ভুলে মাদারবোর্ড বলে সেইরকম হাসির খোরাক হলাম 🙁 কি আর করা!

ইন্টার পাশ করার পরে ১৯৯৭ এ আমি খুলনা চলে গেলাম আমার বড় বোনের বাসায়। ও ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তির কোচিং করার জন্য আমাকে ক্লাসিক কোচিং সেন্টারে ভর্তি করে দিল। ওখানেও দেখি কম্পিউটার ল্যাব – লোকজন সারাদিন কি সব করে, কিন্তু কিছু পারি না বলে ঢুকতে দেয় না, ঢোকার সাহসও হয় না – যদি ভুলে নষ্ট হয়ে যায় কিছু!

এরমাঝে জিডি পাইলটের পরীক্ষা দেয়ার জন্য ঢাকায় আসলাম বাবার সাথে। একদিন বিকেলে বেড়াতে গেলাম ঢাকা ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার ল্যাবে, আমার এক দুরসম্পর্কের মামা তখন ওখানে ইনচার্জ ছিলেন। তিনি আমাকে একটা কম্পিউটারে বসিয়ে কার্ডের গেম বের করে দিলেন। আমি তো তখন আনন্দে ফেটে পড়ার যোগাড়। জীবনে প্রথম কম্পিউটার ধরা, তাও দুই তিন ঘন্টার জন্য। উফ! সেদিন রাতে আমার ঘুম হয়নি। আমার কম্পিউটার শেখার জেদ আরো বেড়ে গেল – নাহ এই জিনিস আমার শিখতে হবেই।

ঢাকা থেকে ফিরে বাবাকে বললাম আমাকে একটা বই কিনে দিতে। বাবা বললেন এর পরের বার ঢাকা গেলে কিনে আনবেন। সত্যি সত্যি এর পরের বার ঢাকা থেকে আসার সময় আমার জন্য একটা বাংলা বই নিয়ে আসলেন “এক্সেল” নামে। বাবাও জানেন না কম্পিউটার কি জিনিস, দোকানদারকে বলাতে দোকানদার এই বই দিয়ে দিয়েছে আর উনিও নিয়ে এসেছেন। এক্সেলের সেই বাংলা বইতে কিভাবে এক্সেল ব্যবহার করতে হয় তা ডিটেইল লেখা ছিল। আমার প্রিয় অংশ ছিল ফর্মূলার চ্যাপ্টার। কিভাবে কন্ডিশনাল অপারেটর, ম্যাথমেটিকাল অপারেটর ব্যবহার করা যায় সেগুলো। আমি খাতায় লিখে লিখে মষকো করি। মাঝে মাঝে আমার বোনের কাছে দেখে নেই যে ঠিক আছে কিনা। বোনও জেনে না জেনে মাথা নেড়ে হুঁ হাঁ করে।

খুলনায় ফিরে আসি কোচিং শেষ করতে। একদিন সাহস করে কোচিং সেন্টারের ল্যাবে ঢুকলাম, দেখি
ক্লাস সিক্সের পিচ্চি একটা ছেলেও শেখে ওখানে – ওর বাবা এই বাড়ির বাড়িওয়ালা, তাই কোচিং সেন্টারেও ওকে তেমন নিষেধ করে না কিছু। ওর সাথে কথা হওয়ার পর জানলাম এখানে উইন্ডোজের নাম উইন্ডোজের ৩.১ আর পেইন্টব্রাশ নামের একটা জিনিস দিয়ে রঙ করা যায়। তবে সবচেয়ে মজার যে জিনিস পাওয়া গেল সেটা ছিল “প্যারানয়েড” বা প্যারা নামের একটা গেম। এখনকার ছেলেপেলেরা ডিএক্সবল নামে যেইটা খেলে সেটার ডস ভার্সন। ছেলেটা আমাকে ফিসফিস করে বলল, বিকালের পর যেহেতু ল্যাবে ক্লাস থাকে তখন ডুম নামে আরেকটা গেম খেলা যায়। কয়েকদিন ধরে কোচিং শেষে ডুম খেলা হল। আমিও কয়েকটা জিনিসের নাম শিখলাম যেগুলো এখানে শেখায় – যেমন “ফক্সপ্রো”। এটা দিয়ে নাকি প্রোগ্রামিংও করা যায়।

আমি আমার জমানো টাকা দিয়ে একটা ফক্সপ্রোর বই কিনে ফেললাম। মাঝে মাঝে ল্যাবের মধ্যে বই দেখে এটা ওটা করার চেষ্টা করি। কিন্তু আমার কপালে এই আরাম বেশিদিন সইল না – একদিন বাসায় ফিরতে দেরি হয়ে গেল। আমার বড় বোন ফোন করে কোচিং এর ম্যানেজারকে ঝাড়ি দিল “ওকে ক্লাসের পর সোজা বাসায় আসতে বলবেন, কম্পিউটার শেখার দরকার নাই। সন্ধ্যার আগে বাসায় ফেরা দরকার”। ম্যানেজার আমাকে ঝাড়ি দিয়ে ল্যাবে ঢোকা বন্ধ করে দিল 🙁

ফক্সপ্রোর বইয়ে আরো কয়েকটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের নাম শিখলাম সেই সময় – যেমন সি, কুইক বেসিক। খালিশপুর থেকে টেম্পো করে ডাকবাংলো আসি কোচিং করতে। নাস্তার জন্য বোন আরো পাঁচটাকা দেয়। আমি নাস্তা না করে সেই টাকা জমাই। ম্যাগাজিনের দোকানে দেখি কম্পিউটার জগৎ নামে একটা ম্যাগাজিন পাওয়া যায়। আমি সেই ম্যাগাজিন কিনে গোগ্রাসে গিলতে থাকি। কম্পিউটার জগতের কল্যানে অনেক কিছু জানা হয় – অ্যাটলিস্ট কম্পিউটার বিষয়ে সাধারণ জ্ঞান একটু বাড়ে। ওখানে দেখি “এসো সি শিখি” নামে একটা ফিচার ছাপে প্রতি মাসে। আমি পড়ি, বড়ই দুর্বোধ্য মনে হয় সব কিছু! ভ্যারিয়েবলের বাংলা “চালক” লেখা হয়। আমার মাথায় কিছু ঢোকে না।

এর মাঝে বাবাকে আবার বললাম আমাকে একটা কুইক বেসিকের বই কিনে দিতে। বাবা ঢাকা থেকে ফেরার সময় বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত শিরীন আখতারের লেখা কুইক বেসিক প্রোগ্রামিংএর দুই খন্ড কিনে আনে। এইটাই আমার প্রথম প্রোগ্রামিং এর বেসিক গুলো বুঝতে সাহায্য করে। তখন ১৯৯৮ সালা। আমার কম্পিউটার তো দুরের কথা, কম্পিউটার নাড়াচাড়া করার জায়গাও নাই – বই ই সম্বল। আমি তাই বই পড়েই নোট করি, মাথায় ঢুকানোর চেষ্টা করি।

বিআইটি রাজশাহীতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেলাম। খুলনা ভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্সের ওয়েটিং লিস্টে পাঁচ নম্বরে ছিলাম, ওখানকার সবাই বলল নিশ্চিন্তে হয়ে যাবে। কিন্তু আমার বাবা/মা আর বোনেরা চায়না আমি খুলনা ভার্সিটিতে পড়ি। আমি যতই চাই কেউ শোনে না। শেষে ভর্তি হতে হল সিভিলে। হলে ওঠার পরে দুপুর বেলায় আমি, আরিফ, অরুন আর রুমন মিলে ২১৭র সামনে কম্পিউটার ল্যাবে ঢুঁ মারা শুরু করলাম। ওখানে বিকেল পর্যন্ত ছাত্রদের কম্পিউটার ব্যবহার করতে দিত। খুলনায় তো তাও উইন্ডোজ ৩.১ ছিল, এখানে সব ২৮৬ মেশিনে ডস ছাড়া কিছু নাই। তাও সই, আমার কুইক বেসিক প্র‍্য্যাকটিস চলতে থাকলো এখানে।

বড় ভাইদের দুই ব্যাচের মারামারিতে বিআইটি একবার আট মাসের জন্য বন্ধ হয়ে গেল। আমি আবার খুলনায় চলে গেলাম। ওখানে শুভেচ্ছায় কয়েকটা ক্লাস নিয়ে কিছু টাকা জমল। একটা ক্লাস নিলে ২০০ করে টাকা দিত সেইসময়। আমি সেই টাকা দিয়ে মাইক্রোসফট প্রেসের ভিজ্যুয়াল বেসিক প্রোগ্রামার্স গাইড বইটা কিনে ফেললাম। ৮০০ টাকা নিল। ইন্ডিয়ান রিপ্রিন্ট। কষ্ট করে জমানো ৮০০ টাকা তখন অনেক, তাও প্রোগ্রামিং আমার শিখতে হবেই। বাবাকে আগেই বলে রেখেছিলাম, আমাকে একটা বাংলা বই কিনে দিলেন তিনি – সিসটেকের মাহবুব ভাইয়ের ভিজ্যুয়াল বেসিক প্রোগ্রামিং এর উপরে। কুইক বেসিক আগে থেকে জানা থাকায় ভিজ্যুয়াল বেসিক তখন আমার জন্য পুরাই ম্যাজিক! আমি গোগ্রাসে গিলে ফেললাম বইদুটো।

তখন ২০০০ সাল। বন্ধু তপুর কাছ থেকে একটা বই ধার নিয়ে আসলাম। ইভাঞ্জেলোস পেট্রোসাসের “মাস্টারিং ভিজ্যুয়াল বেসিক ৫”। এই বইটা আমাকে সেই সময় ভিজ্যুয়াল বেসিকের অ্যাডভান্সড ব্যাপার গুলো বুঝতে সাহায্য করেছে অনেক। হলে কয়েকজনের কাছে তখন কম্পিউটার ছিল। ১৯৯৮ ব্যাচ নতুন ঢুকেছে তখন। ওদের সময় থেকেই বিআইটিতে প্রথম কম্পিউটার সায়েন্স ডিপার্টমেন্ট শুরু হল। ৯৮ ব্যাচের ইমন, সুমন, মইনুল, সোহান আর আবিদের সাথে পরিচয় হল – পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব। ওদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখলাম। পাশাপাশি ইমন সেই সময় ওর কম্পিউটার ব্যবহার করতে দিত যখন তখন। কোনদিন নিষেধ করেনি। হলে সেইসময় অনেকেই তাদের কম্পিউটারে হাত পর্যন্ত দিতে দিত না। সেকেন্ড ইয়ারে আমার রুমমেট শুভ নামের একজনের কম্পিউটারে ওর অনুপস্থিতিতে হাত দিয়েছিলাম বলে পরের দিন কম্পিউটারের গায়ে লিখে রেখেছিল “ডোন্ট টাচ দিস কম্পিউটার উইদাউট ওনার”। এরকম অনেকেই চোখে মুখে অপমান করেছে সেই সময়, কম্পিউটার আমার নাই – আমি আবার কি জানি।

আমাদের ব্যাচের ফয়সাল, রুমন আর মামুন কখনো তাদের কম্পিউটারে হাত দিলে আমাকে কিছু বলে নি। পাশাপাশি হওয়াতে রুমন আর মামুনের রুমেই বেশি যাওয়া হত। এর মাঝে সেই সময় রেডলফ নামে একটা ভাইরাস ছড়ালো দ্রুত। এটা সব ফোল্ডারে ডেসকটপ.আইএনআই নামে একটা ফাইল তৈরী করে পুরো মেশিনকে অসম্ভব স্লো করে দিত। আমি একটা ছোট্ট প্রোগ্রাম বানালাম সেইগুলো রিমুভ করার জন্য। এমন কিছুই না। কিন্তু বিআইটিতে তখন যাদের কম্পিউটার আছে সবাই এই ভাইরাসের যন্ত্রনায় অস্থির। আমার রিমুভাল প্রোগ্রামটা সেই সময় ব্যপক সাড়া ফেলল। সবাই এসে আমার কাছ থেকে নিয়ে যায় ফ্লপি ডিস্কে করে। বড় ভাই দের মাঝে আমার কদর বেড়ে গেল – হে হে। এর মাঝে ৯৩ এর আলমগীর ভাই (তখনকার কম্পিউটার ক্লাবের প্রেসিডেন্ট) আর ৯১ ফিজার ভাই (সিএইসইর টিচার) মিলে ভিজ্যুয়াল বেসিক কোর্সের ব্যবস্থা করলেন। আমি ছিলাম ইনস্ট্রাকটর। ছাত্র বেশীর ভাগই ৯৫ আর ৯৪ এর বড় ভাইরা। ২০ জনের মত ছিল সেই ব্যাচে। এর মাঝে একজন বড় ভাই তার থিসিসের প্রবলেমে প্রায়ই আসতেন আমার কাছে, আমি সলভ করে দিতাম তাঁর ভিজ্যুয়াল বেসিকে করা প্রোগ্রামটা। আস্তে আস্তে অন্যরাও আসা শুরু করলেন। আমি এই সুযোগটাকে কাজে লাগালাম, তাদেরকে বললাম যে আমি থিসিসিএ সাহায্য করতে পারবো কিন্তু তাদের কম্পিউটার আমার রুমে রাখতে হবে। সেই প্রথম হলে আমার রুমে একটা কম্পিউটার জুটল, কোন এক বড় ভাইয়ের। বিনিময়ে যখন তখন আমি তাঁর থিসিসে ব্যাপারে হেল্প করতাম। সেকেন্ড ইয়ার আর থার্ড ইয়ারের মাঝামাঝি এভাবেই পার হল। থার্ড ইয়ারে পুরোটাই সুমির কম্পিউটার ছিল আমার রুমে। ওটাও সাহায্য করেছে অনেক। ফোর্থ ইয়ারে আমার ব্যাচমেট ও বন্ধু মাসুদ ও অনেক সাহায্য করেছে তার কম্পিউটার ব্যবহার করতে দিয়ে

এর মাঝে সেকেন্ড ইয়ারে পড়ার সময় আমি, ইমন, সুমন, আবিদের সাথে মিলে আমরা একটা সফটওয়্যার বানালাম ২০০১ সালে । মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের একটা ম্যাক্রো প্রোগ্রাম, সাথে অ্যাকসেসের ডেটাবেজ। সেখানে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মাঝে ফোনেটিকে বাংলা লেখা যেত। এইটাও বিআইটিতে ব্যাপক জনপ্রিয় হল সেই সময়। আমরা বিআইটিতে এটা বিক্রি করলাম বেশ অনেকগুলো কপি, ৬০০ টাকা করে। উতসাহ দেয়ার জন্য মইনুল আমাদের কাছ থেকে প্রথম কপিটা কিনেছিল, আমার এখনও মনে আছে। এইটা নিয়ে ঢাকায় আমরা কিছু দৌড়াদৌড়ি করলাম যে কিছু করা যায় কিনা। ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স এটা কিনে নিল আমাদের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকায়, যদিও আমরা পেয়েছিলাম ১ লাখ টাকা। ২০০১ সালে ১ লাখ অনেক টাকা। সেটা আমি, ইমন, সুমন আবিদ আর সুমি মিলে ভাগ করে নিলাম। প্রথম এই ব্যবসায়িক সাফল্য আমাকে আরও উতসাহ দিল প্রোগ্রামিংয়ের দিকে। hasin haydarএর মাঝে কেকেআই স্যারও অনেক ইন্সপায়ার করেছেন প্রোগ্রামিংয়ে।

ডটনেট আসার পরে আমি ভিজুয়্যাল বেসিকে উৎসাহ হারায় ফেললাম। বেসিক কেন যেন আর বেসিক থাকলো না। সেই সময় হানি আপা আর খেয়া আপার থিসিস ছিল একটা বাংলা ট্রান্সলেটর তৈরী করা। আমি সেটা নিয়ে অনেকদুর এগিয়েছিলাম। এটা নিয়ে কাজ করার সময় পরিচয় হল রাজশাহী ভার্সিটির ৯৮ ব্যাচের সোহাগ আর আসিফের সাথে। সেই সোহাগ আর আসিফ (বর্তমানে রাজশাহী ইউনিভার্সিটির সিএসইর অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর) আমাকে প্রথম পরিচয় করিয়ে দিল পিএইচপির সাথে। আমাকে সোহাগ পড়ার জন্য একটা বই দিয়েছিল, বিগিনিং পিএইচপি ফোর, রক্স পাবলিকেশন্সের। তার কিছুদিন পরপরই দীপক নামে আরেকজন বন্ধু গিফট করেছিল “প্রফেশনাল পিএইচপি ৪”। ২০০২ সালের কথা এটা। পিএইচিপি শেখার পর আমাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি কখনো 🙂


এ সম্পর্কিত আরো কিছু টুইট:

*আসুন অন্তত একটি স্বপ্নকে বাঁচিয়ে আমরা প্রমাণ করি যে আমরা দুর্বল নই আমাদের মানসিকতা অনেক বড় ।
আসুন শিখি পিএইচপিঃপর্ব-৯
ফেসবুক ইয়াহু জিমেইলে ঢুকতে টাকা লাগবে! ফ্রী থাকবে না কিছুই।
GAMES ডিরেক্টরি যারা GAME খেলতে ভালবাসেন তাদের অনেক কাজে লাগবে।
মঙ্গলে পড়বে মানুষের পা
১বিটকয়েন= ২২১৬ ইউএস ডলার(২৭/৫/২০১৭),ফ্রিতে বিটকয়েন আর্ন করুন, কোন প্রকার ইনভেষ্টমেন্ট ছাড়া।
Virtual Dollar ক্রয় বিক্রয়ের একটি বিশ্বস্ত নাম আরডিবিসিওয়ালেট।

মন্তব্য দিনঃ

comments

About the author

অরন্য নিলয়

নীল আকাশ ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে করে। কিন্তু পড়া লেখা করতে ইচ্ছে করে না :(

Permanent link to this article: http://techtweets.com.bd/uncategorized/aronno-niloy/42065

মন্তব্য করুন