«

»

হাইপারসনিক ইঞ্জিন! ভবিশ্যতের বিমান বা আকাশ যানের ইঞ্জিন।

মাত্র এক ঘণ্টায় লন্ডন থেকে নিউইয়র্ক পাড়ি দেওয়া কেবল কল্পনায় সম্ভব। রেড ইন্ডিয়ানদের কাল্পনিক বিজলি পাখির ডানায় ভর করে প্রশান্ত মহাসাগর পাড়ি দেওয়ার ব্যাপারটি চলচ্চিত্রে সম্ভব হলেও হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে এমনটি এখনো অসম্ভব। তাই অসম্ভবকে বাগে আনতে এবার তোড়জোড় শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী।
পরীক্ষামূলক এই বিমানগুলো দেখতে কিছুটা কিম্ভুত। তবে গতিতে হাইপারসনিক অর্থাত্ বাতাসে শব্দের গতির চেয়ে কয়েক শ গুণ দ্রুতগামী। এতে সংযোজিত হয়েছে স্ক্রমজেট ইঞ্জিন, যা একে দিয়েছে অনন্য এই গতি।
বিমানটির সর্বশেষ পরীক্ষা হিসেবে আজ একটি বি৫২ বিমান থেকে এর একটি সংস্করণকে আকাশে মেলে দেওয়া হবে বলে ডেইলি মেইল জানিয়েছে।

কর্মপ্রক্রিয়াঃ
স্ক্রামজেট হলো এক বিশেষ ইঞ্জিন। এতে জ্বালানি হিসেবে প্রচলিত বিমান ইঞ্জিনের মতো অকটেন-জাতীয় জ্বালানি ও অক্সিজেনের বদলে ব্যবহূত হয় তরল হাইড্রোজেন। আর ইঞ্জিনে জ্বলবার জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের চালান হয় সরাসরি বায়ুমণ্ডল থেকে। তাই এ ধরনের ইঞ্জিনকে অনেক সময় ‘বায়ুখেকোও’ বলা হয়।


ইঞ্জিনের সামনে থেকে বাতাসের চাপ তৈরি হয়। এ সময় হাইড্রোজেন বাতাসের সঙ্গে ইঞ্জিনে প্রবেশ করে। বায়বীয় জ্বালানি ইঞ্জিনে আবার সংকুচিত হয়। ফলে তাপমাত্রা খুব বেশি বেড়ে যায় আর জ্বলে ওঠে।
পুরো প্রক্রিয়ার কারণে যানটি প্রচণ্ড সম্মুখগতি পায়। এ গতি এত বেশি যে, তা কনকর্ড বিমানের সর্বোচ্চ গতি অর্থাত্ ঘণ্টায় এক হাজার ৩৫০ মাইল গতিকে ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই বিমানের নাম দেওয়া হয়েছে এক্স-৫১এ ওয়েভরাইডার। যুক্তরাষ্ট্রের মোহাভে মরুভূমিতে এডওয়ার্ডস এয়ারফোর্সের বিমান ঘাঁটিতে চলছে বিমানটির নির্মাণপ্রক্রিয়া।
আগামীকালের পরীক্ষায় একটি বি৫২ বিমানের ডানায় এ ধরনের একটি ইঞ্জিনকে ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় নেওয়া হবে। এরপর প্রশান্ত মহাসাগরের মগু পয়েন্ট থেকে এটিকে আকাশে ছেড়ে দেওয়া হবে। মাত্র ৩০০ সেকেন্ডের পরীক্ষা হবে সেটি। তবে আজ পর্যন্ত ওটাই হবে ইঞ্জিনটির সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের পরীক্ষা।
ধারণা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতের বিমানে এসব হাইপারসনিক ইঞ্জিনই ব্যবহার করা হবে। ওহাইও অঙ্গরাজ্যের বিমানবাহিনীর গবেষণাগারে উচ্চগতি ইঞ্জিন বিভাগের সহকারী প্রধান রবার্ট মার্সিয়ার নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ‘বিমানে হাইপারসনিক ইঞ্জিনের ব্যবহার হলো প্রপেলার ইঞ্জিনের বদলে জেট ইঞ্জিন ব্যবহারের মতো একটি বিষয়। বিমানচালনাবিদ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হবে হাইপারসনিক ইঞ্জিন। আমার বিশ্বাস, খুব দ্রুত আমরা তা আয়ত্তে আনতে পারব।’
মার্সিয়ার বলেন, এই প্রকল্পে অর্থ জোগাচ্ছে নাসা এবং পেন্টাগন। মার্কিন যুদ্ধবিমান স্টিলথ ও অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র নির্মাণে ব্যবহূত হবে এসব ইঞ্জিন।
গ্লোবাল সিকিউরিটি নামের একটি সামরিক সংবাদের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ওয়েভরাইডার প্রকল্পে খরচ হচ্ছে প্রায় ১৪ কোটি মার্কিন ডলার। দীর্ঘদিন ধরে এ প্রকল্পের কাজ চলছে। তবে সব অর্জন সন্তোষজনক নয়।


এ সম্পর্কিত আরো কিছু টুইট:

কোন software ছাড়াই mozilla firefox এর backup রাখুন
গতকালের BAN vs IND ঐতিহাসিক খেলাটির এক্সক্লুসিভ হাইলাইটস ও সাকিবের বাংলায় আমন্ত্রন
নিয়ে নিন অসাধারন কিছু ফেইসবুক টাইমলাইন কভার ফটো ।
Bullett Raja DVDRip যাদের দরকার এখুনি নিয়ে নিন
ইন্টারনেটের মাধ্যমে আয় করতে ছান, তাহলে ইন্টারনেট ব্যবহারে সাবধান থাকুন পর্ব—০১
মাত্র ১২ এম বি একটি অ্যাপস প্লেয়ার এর মাধ্যমে আপনি এন্ড্রোয়েড অ্যাপস/ গেমেস খেলতে পারবেন আপনার প...
আইপিএল এর কলকাতা ও রাজস্থান এর খেলা দেখুন অনলাইন এ লাইভ

মন্তব্য দিনঃ

comments

About the author

অরন্য নিলয়

নীল আকাশ ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে করে। কিন্তু পড়া লেখা করতে ইচ্ছে করে না :(

Permanent link to this article: http://techtweets.com.bd/uncategorized/aronno-niloy/30877

মন্তব্য করুন