«

»

Manjurul Hoque

ঈশ্বরের কণা আবিষ্কারের দ্বার প্রান্তে

ইউরোপীয় সেন্টার ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চের (CERN) এর বিজ্ঞানীরা এক নতুন ধরনের কণা আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন। যা হিগ বোসন কণার সাথে যথেষ্ট মিল রয়েছে বলে তাদের দাবি।মহাবিশ্ব সৃষ্টির শুরতে এই কণার তাৎপয্যপূর্ণ অবদান রয়েছে বলে ধারনা করা হয়। এই বিগ বোসন কণা ঈশ্বরের কণা হিসেবেও পরিচিত। এই কণাটির নামকরণ করা হয়েছে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী পিটার হিগস এর নামের শেষ অংশ ও বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নামের শেষ অংশের সাথে মিলিয়ে। বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরনের পর কিভাবে পৃথিবী, অন্যান্য গ্রহ ও সূর্য সৃষ্টি হয়েছে, তা এই কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে জানা গেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে, জীবনের রহস্য সম্পর্কেও জানা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা।
তবে সার্নের মুখপাত্র জেমস বলেছেন, এখনও এ ব্যাপারে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
পরীক্ষাটি ইউরোপীয় পরমানূ গবেষণা কেন্দ্র(সার্ন) এর মাটির নিচের LHC ( Large Hadron Collider) তে চালানো হয়। দুই বার এই গবেষণা চালান বিজ্ঞানীরা। এই এলএইচসি হচ্ছে বিগ ব্যাং নিয়ে গভেষণা করার জন্য ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ডিম্বাকৃতির একটি টানেল, যা ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড সীমান্তের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।

এই আবিষ্কারের রেজাল্টকে এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর পিটার হিগস স্বাগত জানিয়েছে। ইনিই প্রথম ১৯৬০ দশকে ঈশ্বরের কণা সম্পর্কে আলোকপাত করেছিলেন।


এ সম্পর্কিত আরো কিছু টুইট:

নেবুলা- মহাকাশের আরেক বিস্ময়
এমআইটি মুড মিটার: মুখ দেখেই মেজাজ পরিমাপ করা যাবে !!!
একদম নতুন পদ্ধতিতে টাকা ইনকাম করুন (খুবই সহজে)
আইপ্যাডকে টেক্কা দিতে স্যামসাংয়ের নতুন ট্যাব
পৃথিবীর প্রথম গাড়ি! - ধারাবাহিক পোস্ট
সামাজিক যোগাযোগের নতুন মাধ্যম বিজয়বুক
কাজ শিখুন এবং চাকরি করে নিজের বেকারত্ব দূর করুন. সফল শিক্ষার্থীদের ১০০% চাকরির নিশ্চয়তা, নিজস্ব কোম্...

মন্তব্য দিনঃ

comments

About the author

Manjurul Hoque

Manjurul Hoque

Permanent link to this article: http://techtweets.com.bd/science-tech/manjurul-hoque/28325

মন্তব্য করুন