«

»

ব্রাইটস্পেস পেটানেট সার্ভার

(সম্পূর্ণ গল্প দেওয়া হলো।)

আসসালামুয়ালাইকুম। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছে। আমার লেখা একটা সায়েন্স ফিকশন শেয়ার করলাম। আশা করি কিছুটা সময় ভালো কাটবে!!

আমাদের দেশে রোবোট আছে কিনা আমার জানা নাই, তবে আমাদের সমাজের মানুষগুলু রোবোট হয়ে উঠছে এখন শুধু নিজেদের প্রয়োজনে। এখন নিজের পকেটের টাকা খরচ করেও অন্যকে চা খাওয়ানো যায় না। অবস্থানগত কারনে নোয়াখালীর মানুষ একটু অথিতি পরায়ন হয়। আমিও ব্যতিক্রম নই তথা নোয়াখালির প্রানি বিধায়, তাই এমন মনে হচ্ছে!

 

 “জায়গাটা নোয়াখালির মাইজদীর। সময়টা ৯০০৩ সাল। নোয়াখালির সব মানুষ অভিমান করে কোমায় চলে গেছে। স্থান হিসেবে তারা নিয়েছে ‘নোয়াখালী বিজ্ঞান পরিষদ’কে। অভিমানের কারন হলো দেশ থেকে হস্পিটালিটি উঠে গেছে। তারা সবাই আর কোমা থেকে উঠবে না বলে স্থির করেছে। মস্তিষ্কে সিগ্নাল পাঠিয়ে সব ধরনের অনুভূতি দিয়ে গ্রহন করবে তারা। কিন্তু ইতি মধ্যে সারা পৃথিবীর ও অরিওন গ্রহপুঞ্জের প্রায় আট হাজার কোটি মানুষ ও হিউরিক্স (আমারা যাদের এলিয়েন বলি) কোমায় আছে। নোয়াখালি জিলা স্কুলের পাঁচ মেধাবি প্রাক্তন ছাত্র  ‘নোয়াখালি কেন্দ্রিয় বিজ্ঞান পরিষদ’ এর দায়িত্তে আছে। সব মানুষ কোমায় যাওয়ার জন্য বৃহত্তর নোয়াখাল তথা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞানী ও ‘নাসা’র প্রধান পরিচালক ড. শামস এর বানানো একটি মাইক্রো নিউরন প্রসেসর ব্যবহার করেছে। ‘নোয়াখালি বিজ্ঞান পরিষদ’টি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৫০,৮০০ ফিট নিচে বঙ্গপসাগরে গভিরে অবস্থিত। এতে এক লক্ষ বর্গ ফিটের চেয়ে কিছুটা বেশি স্পেস রয়েছে যেখানে নোয়াখালির সব মানুষ কোমায় রয়েছে। ড. শামস এর বানানো মাইক্রো নিউরন প্রসেসরটির সাহায্য সবার সেন্ট্রাল নিউরন এক সাথে নিয়ন্ত্রন করছে বিজ্ঞান পরিষদ। বাকি পৃথিবীর সবাই কোমায় যাওয়া মানুষগুলুও এই মাইক্রো নিউরন প্রসেসরটি ব্যবহার করছে। কিন্তু এর জন্য তাদের গুন্তে হচ্ছে মাসে ষাট লাখ ডলার। ‘নোয়াখালি বিজ্ঞান পরিষদ’এর বিজ্ঞানীরা একটি সার্ভার ব্যবহার করে যেটি সমস্ত পৃথিবীর বিজ্ঞানীদের কাছে অজানা। তবে এর নাম সবার জানা। ‘ব্রাইটস্পেস পেটানেট’ নামক সার্ভারটির সাইট ৫০০ পেটা বাইট মেমরি স্টোর করতে পারে। যা সমগ্র পৃথিবীর কাছে বিস্ময়! ড. শামস এর বানানো মাইক্রো নিউরন প্রসেসর থেকে আয় করা টাকা দিয়ে প্রতিনিয়ত সার্ভারটি উন্নতির কাজে ব্যবহার হয়।

নোয়াখালি জিলা স্কুলের প্রাক্তন ছাত্ররা হচ্ছে পাঁচ জনের একটা টিম যারা প্রতিনিয়ত সার্ভার তথা সাইটের দেখাশুনা করছে। এরা হচ্ছে; অরণ্য,সকাল, তিনু, স্যরেন ও নিয়ন।

এই পাঁচ জনের প্রধান হলো তিনু। তিনুর বাম হাত নেই। একবার সার্ভারের কাজ করতে গিয়ে ইলেক্ট্রিক শকে খসে গেছে। তবে হাত একদম নেই বললে ভুল হবে, এলেস্টিক শিরা ও উপশিরার সহ নিয়ন তাকে একটা হাত বানিয়ে দিয়েছিল। নিয়নের ব্যক্তিগত রোবট ‘রে-১১’ এই কাজে তাকে সব রকম হেল্প করেছিলো। একটা কথা না বললেই নয়, তা হল নিয়নেয় বানানো তিনটি রোবট এখন ‘নাসা’য় কাজ করছে। যাদের জন্য প্রতি মাসে ৬৮ হাজার ডলার দিতে নয় নিয়নকে ‘নাসা’র পক্ষ থেকে। তবে এ নিয়ে রোবটগুলু নিয়নের সাথে মাঝে মধ্যেই তর্ক করে। তারা নিজেরা হাত খরচ চায়। অবাক হওয়ার কিছুই নেই, এই রোবোটগুলুর মেধা মানুষের চেয়ে কোন অংশে কম নয়। এরা স্বাধীন চিন্তা করতে পারে। নিয়ন বলেছে বেশি বুঝলে ‘এক্টিভ প্রোগ্রাম’ চেঞ্জ করে চাইনিজ রোবোট বানিয়ে দিবে। তবে নিয়ন ধারনা করছে রোবট দুটা তার পিছনে তার ক্ষতি করার প্লান করছে। কিন্তু এতে তার কোনো দুশ্চিন্তা নেই, কারন রোবট দুটোর নিষ্ক্রিয় করার কোড সে মুখ থেকে বের করলেই তারা হাস্যকর চাইনিজ রোবটে রুপ নিবে। রোবটদের জন্য এয়ার কোড বানিয়ে রেখেছে নিয়ন। মহা বিশ্বের যেই প্রান্তে তারা থাকুক এই কোড উচ্ছারিত হওয়া মাত্র তারা নিষ্ক্রিও হবে, এবং নিয়নের হেল্প ছাড়া তার আর কাজ করতে পারবে না।

সব কিছু ভালো ভাবেই চলছে।

কিন্তু বছর দুইএর মাথা হঠাত কিছু একটা গন্ডগোল দেখা দিচ্ছে। নোয়াখালী বিজ্ঞান পরিষদের নিজস্ব ফিউচার মেশিন এই ব্যপারে আগেই মন্তব্য করেছিলো। কিন্তু স্যরেন ওটাকে ‘নির্বোধ মেশিন’ বলে গালি দিয়ে থামিয়ে দিয়েছিলো!

সময়টা ৯০১১ সালের ১১ ই ফেব্রুয়ারী বিকেল তিনটা। তিনু মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে। সবাই দুপুরের খবার খেয়ে বিস্রাম নিচ্ছে। কিছুক্ষন পর রুমে বাকি চার জন ঢুকল। তিনুর বুঝতে বাকি নেই কাজটা ‘রে-১১’ এর। সবার আগে সকাল জিজ্ঞেস করলো, ‘ঘটনা কি?’

সকাল প্রশ্নটা করেই ধাক্কার মত খেল। ততক্ষনে সবার চোখ পড়েছে হলোগ্রাপিক মনিটরে। ডানপাশে নিচে লাল শব্দে লেখা ‘ডী-১৮৬’ হলুদ বর্ণে লেখা ‘ক্লো-১৮৮২’ অরন্য সবার মাঝে একটু শক্ত প্রকৃতির। সে জিজ্ঞেস করলো, ‘লাশগুলু কই?’

তিনু বলল, ‘রুম ১৫৬, স্পেস ব্লক থেকে ১৬৮৯ ফিট উপরে। সবগুলু লাশ এফ ব্লকের তিন নাম্বার ডিপার্টমেন্টের থেকে বের করেছে ‘রে’ রুমের বাহিরে স্প্রেডক্রাপ্ট ফ্লো-৮২ আছে, সেখানে, কোথায় যেতে হবে তার প্রোগ্রাম করা আছে! গিয়ে দেখে আয়’ এক মুহূর্তের মত কেউ নড়তে পারলো না। হঠাত করে তিনু অরন্যের হাতটা ধরলো। অরন্য চমকে উঠে বলল, ‘কি হয়েছে?’ তিনু নিচের দিকে তাকিয়ে বলল, “ওখানে নীয়নার লাশ আছে!”

অরন্য পাথরের মত দাঁড়িয়ে গেলো!

তাকে সান্তনা দেওয়ার ভাষা কারো নেই। নীল আলোয় নিষ্প্রান পাঁচটি যুবক। চার জন মৃত্যুপুরির লোক হওয়ার শোকে, অপর জন ভালোবাসা হারানোর শোকে নিষ্প্রাণ!

porbখুব দ্রুত খবরটা চলে গেল ড. শামস এর কাছে।

তিনি এসেই লাশ ঘরে ঢুকলেন। সবাইকে দেখতে পেলেন শুধু অরন্য ছড়া।

তিনু পাশেই দাঁড়ায়ে, ড. শামসকে কিছুটা বিরক্ত ও অসহায়ের মত দেখাচ্ছে। এক মুহূর্তের জন্য তিনি অনুভুতীহিনভাবে তিনুকে বলল,

“অরন্য কই?”

তিনু বাম হাতের ঘড়ির মত জিনিসটার দিকে তাকালো। তারপর বলল;

“পাওয়ার রুমের পাশের রুমে বসে আছে।”

“ওকে ডাক। আর বাকীদেরকেও ডাক..”

তিনু অনেকটা রোবটের মত হেঁটে রুম থেকে বের হয়ে গেল।

ড. শামস নিষ্প্রভভবে ডাকলেন, “রে….”

সাথে সাথে রোবটটা হাজির হলো।

তিনি বললেন, “একটা লাশ হসপিটালের এক্সরে রুমে নিয়ে গিয়ে, সেটাকে সবরকমের টেষ্ট করে রিপোর্টগুলু নিয়ে ৫ মিনিটের মধ্যে আমার রুমে নিয়ে আস। যাও…. ”

রে-১১ মুখ কালোর মত করে চলে গেল। ওকে যখন প্রোগ্রাম করা হয়, তখন কিছু স্পেসেফিক জায়গায় যাওয়ার কথা বললে, এক্সপ্রেশন চেঞ্জ করার ব্যপারটা ইঙ্কলুড করা হয়। রে-১১ যদি বুঝতো এখানে কি হয়েছে! ড. শামস রে-র চলে যাওয়া দেখলো।

তিনু সবাইকে নিয়ে সেন্ট্রাল রুমের কাছে আসতেই, তার হাতের যন্ত্রটা শব্দ করে উঠলো। তিনু তাকিয়ে দেখলো, ড.শামস এর রুম থেকে কল এসেছে। তাই সেই দিকে মুখ করে হাটছে পাঁচ জন নিষ্প্রান যুবক।

বিশাল একটা রুমে, সবাই বসে। কথা বলে চলেছেন ড. শামস।

“ ……..মুল ব্যপারটা হলো, ফিপি-১৫! ”

এতক্ষন চুপ করে থাকা সবাই কেমন জানি একটু চনমনে হয়ে উঠলো। কারন এই ভাইরাসটিকে প্রযুক্তির দুনিয়ায় চেনে না এমন লোক নাই। এটি যে কোন সিস্টেমকে হ্যাং করে ধ্বংস করে ফেলতে পারে। কিন্তু সমস্যা হল, এখানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সর্বশেষ অ্যাপ্লিকেশন প্রয়োগ করে এই ব্রাইটস্পেস পেটানেট সার্ভার তৈরী। যা—তে ভাইরাস আক্রমনের কোন সুযোগ নেই।

ড. শামস এক মুহূর্তের জন্য কারো দিকে না তাকিয়ে বলল;

“এই ভাইরাস আমাদের মধ্যে কেউ সংক্রামণ করেছে।”

রুমটা এক মুহূর্তের জন্য নিরব হয়ে গেল। কি কথা হচ্ছে কেউ যেন বুঝতে পারল না। কথা বলা শেষে ড. শামস মুখ তুলল।

“কে এই কাজটা করেছে, তা নিয়ে আমি এখন মাথা ঘামাতে চাই না। আমার প্রথম কাজ এই মুহূর্তে বিপদে থাকা লোকদের সারিয়ে তোলা। আশা করি সেটা তোমাদেরও কাজ। ডা. ফেবিক এর সাথে আমার কথা হয়েছে। ১৫ মিনিটের ভেতর তিনি আমাদের কোমা রুমে ঢুকবেন। এবং চিকিৎসা শুরু করবেন।”

“তোমরা এখন রেডিয়েশন রুমে যাও। কিভাবে এই ভাইরাস কোথা থেকে আসলো, তা আমাকে জানাও।”

দুই ঘন্টা পরঃ

ডা. ফেবিক, ড। শামস ও বাকিরা কফারেন্স রুমে এসে জড়ো হলো।

প্রথমে মুখ খুলল স্যরেন;

“ডা. ফেবিক, যারা এখন ইয়োলো জোনে আছে তাদের অবস্থা কেমন?”

“দে আর ফাইন। বাট দে মাইট গেট বেক ফ্রম দেয়ার পজিশন। আই মিন, দেয়ার স্লিপ সুড বি ব্রকেন!”

ড. শামস হ্যাঁ ভঙ্গিতে মাথা নাড়লেন।

তিনু এবার মুখ খুলল;

“ হ্যাঁ, ভাইরাসটা আমাদের মাধ্যেমেই এসেছে। তবে সেটা মানুষ নয়, সেটা আমাদের রে-১১’র কাজ।”

ড. শামস বলল, “তিনু তুমি পুরা ব্যাপারটা খুলে বল।”

“আসলে এটা প্রফেসর চাওলা’র কাজ।”

ড. শামস কিছুটা চমকে উঠলেল।

তিনু আবার বলল, “আসলে এই ভাইরাসটা তিনি আমাদের উপর প্রয়োগ করেছেন দুইটা কারনে। প্রথমত এটা দিয়ে সিস্টেম খারাপ করে তিনি ভারতকে তথ্য প্রযুক্তিতে আমাদের চেয়ে উপরে নিয়ে যেতে চান।”

(ড. শামস দাঁতে দাত চেপে বললেন, কোন দিনও পারবে না।)

“দ্বিতীয়ত,

আমাদের এই ব্রাইটস্পেস পেটানেট সার্ভার  এর মূল রহস্য উদঘাটন করা। এইটাই মুল কারন। তবে মজার ব্যাপার হলো, তিনি কেন জানি তার রি.পি.আই.পি অফ করেন নাই। এর ফলে সহজেই আমরা তাকে ধরতে পেরেছি।তবে ইতি মধ্যে আমরা বিষয়টা সাইবার আর্মিকে জানিয়েছি।”

ড. শামস বলল, “খুব ভালো করেছ। আমি যাই, ভাইরাসের রেডিয়েশেন যে টেম্পরারি অফ করে এসেছি, তা পারমানেন্ট করে আসি।”

অরন্য বলল, “আমরা ইতি মধ্যে তা করেছি।”

হঠাত করে সবার নজর গেল তা দিকে। অরণ্যকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা কারো জানা নেই।

সবাই যখন এই ভাবছিলো, তখন প্রচন্ড একটা শব্দ হলো পাওয়ার রুমের দিকে। চারিদিকে সিকিউরেটি ঘন্টাগুলু প্রচন্ড শব্দ বাজছে।

সবাই ছুটলো পাওয়ার রুমের দিকে। ঠাই দাঁড়িয়ে রইলো অরণ্য, তার মুখে বিদ্রুপের হাসি………………

 ……………………………………………….(সমাপ্ত)…………………………………………………………

পুনশ্চঃ বিভিন্ন সমস্যার কারনে এতদিন এটি শেষ করতে পারি নাই। অনেকে গল্পটা ভুলেই গেছেন। তাই প্রথম থেকে আবার দিলাম।

সবাই ভালো থাকবেন। নিজের যত্ন নিবেন।


এ সম্পর্কিত আরো কিছু টুইট:

এক নিমিষে সনাক্ত করুন ভাইরাস ও ১০০% ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকুনঃ ডিজিটাল জোন
হ্যাকার টকস ( চতুর্থ এবং শেষ পর্ব )
ধারাবাহিক বিজ্ঞান-কল্পকাহিনি “রুনের ঘটনাপঞ্জী”
ধারাবাহিক বিজ্ঞান-কল্পকাহিনি “রুনের ঘটনাপঞ্জী” (ক্রম-২)
ম্যাক ওএস এ ও ভাইরাস। ক্যাসপারস্কিকে নিরাপত্তার দায়িত্ব দিচ্ছে অ্যাপল!
এ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়েই ছবিকে ফ্রেমে বাঁধুন, ছবি করুন আকর্ষণীয়!!
খুব সহজে টাকা ইনকাম করুন।

মন্তব্য দিনঃ

comments

About the author

Rubel Orion

ফেসবুকে আমিঃ https://www.facebook.com/mosharrof.rubel

Permanent link to this article: http://techtweets.com.bd/science-fiction/rubel/966

13 comments

Skip to comment form

  1. মাখন

    হে হে হে খুব ভালো হয়েছে। 🙂

    1. রুবেল অরিয়ন

      😛

  2. RASHED

    ভাল হইছে

    1. রুবেল অরিয়ন

      😛 😛

  3. Sayeam

    kotthinnnn…. hoiche!

    1. রুবেল অরিয়ন

      😉

  4. ঐ ছেলেটি
    jakir

    শেষ করলাম, ভালো লাগল।

    1. রুবেল অরিয়ন

      😀

    2. রুবেল অরিয়ন

      😀 😀

  5. bright space

    ধন্যবাদ রুবেল ভাই। ফ্রিক্সান টা ভালো হয়েছে। তার উপর আরো ভালো লাগছে নোয়াখালি শব্দটা দেখে……

    1. রুবেল অরিয়ন

      হুম….

  6. sabuj

    .. upnei nijer jotno raikhan… r chosma pora pic ta valo hoy nai chang koiren… sundor daikkha akta pic diyen.

  7. রুবেল অরিয়ন

    আমার সব ছবিই চশমা পরা!! :((

মন্তব্য করুন