«

»

চামড়া ফুটো করে ইনজেকশন নেয়ার দিন শেষ!!!

টিকা নেওয়া জরুরি হলেও সুচের খোঁচা খাওয়ার ভয়ে কলিজাটা যাদের ফুরূত্‍ করে উড়ে যায়, রোগের তাড়োনা পর্যন্ত কম হয়ে আসে, তাদের জন্য সুখবর। কেন সুখবর সেটা না বুঝলে আপনার নিকটস্থ সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসুচি ইপিআই কেন্দ্রে গেলেই। অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা টিকার নতুন এক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন, যার মাধ্যমে শরীরে সুচ না ফুটিয়েই টিকা দেওয়া যাবে। আর এ টিকা হবে প্রচলিত টিকাগুলোর চেয়ে বেশ সাশ্রয়ী এবং আরো সহজে সংরক্ষণযোগ্য। কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট ফর বায়োইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ন্যানোটেকনোলজি বিভাগের ২০ গবেষক সম্প্রতি টিকার নতুন এ ধরন উদ্ভাবন করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, নতুন এ টিকা একটি ছোট্ট স্ট্যাম্পের মতো। এটি ত্বকের ওপর লাগিয়ে দুই মিনিট বা এর চেয়ে কিছু কম সময় রাখতে হবে। এ সময়ের মধ্যে স্ট্যাম্পের গায়ে সংরক্ষিত ওষুধ সরাসরি ত্বকের মাধ্যমে শরীরে মিশে যাবে। গবেষকদলের প্রধান অধ্যাপক মার্ক কেন্ডাল জানিয়েছেন, এ প্রক্রিয়ায় টিকার পরিমাণ অনেক কম প্রয়োজন হয়। এ ছাড়া এটি রেফ্রিজারেটরে রেখে সংরক্ষণের প্রয়োজন পড়ে না। তাই সুচের ব্যথা থেকে মুক্তির পাশাপাশি এটি অনেক কম দামে ও বেশি মানুষের জন্য ব্যবহার করা সম্ভব। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যেখানে সরকারি অর্থায়নের সংকট রয়েছে, সেখানে আগের চেয়ে অনেক কম খরচে বেশি মানুষের জন্য এ পদ্ধতিতে টিকার ব্যবস্থা করা বেশ লাভজনক হবে। আর সরাসরি ত্বকের মাধ্যমে শরীরে মিশে যাওয়ায় প্রচলিত ব্যবস্থায় নেওয়া টিকার চেয়ে এটি আরো অনেক বেশি কার্যকর হবে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইন। খোঁচা খাওয়ার ভয়ে কলিজাটা যাদের ফুরূত্‍ করে উড়ে যায়, রোগের তাড়োনা পর্যন্ত কম হয়ে আসে, তাদের জন্য সুখবর। কেন সুখবর সেটা না বুঝলে আপনার নিকটস্থ সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসুচি ইপিআই কেন্দ্রে গেলেই। অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা টিকার নতুন এক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন, যার মাধ্যমে শরীরে সুচ না ফুটিয়েই টিকা দেওয়া যাবে। আর এ টিকা হবে প্রচলিত টিকাগুলোর চেয়ে বেশ সাশ্রয়ী এবং আরো সহজে সংরক্ষণযোগ্য। কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট ফর বায়োইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ন্যানোটেকনোলজি বিভাগের ২০ গবেষক সম্প্রতি টিকার নতুন এ ধরন উদ্ভাবন করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, নতুন এ টিকা একটি ছোট্ট স্ট্যাম্পের মতো। এটি ত্বকের ওপর লাগিয়ে দুই মিনিট বা এর চেয়ে কিছু কম সময় রাখতে হবে। এ সময়ের মধ্যে স্ট্যাম্পের গায়ে সংরক্ষিত ওষুধ সরাসরি ত্বকের মাধ্যমে শরীরে মিশে যাবে। গবেষকদলের প্রধান অধ্যাপক মার্ক কেন্ডাল জানিয়েছেন, এ প্রক্রিয়ায় টিকার পরিমাণ অনেক কম প্রয়োজন হয়। এ ছাড়া এটি রেফ্রিজারেটরে রেখে সংরক্ষণের প্রয়োজন পড়ে না। তাই সুচের ব্যথা থেকে মুক্তির পাশাপাশি এটি অনেক কম দামে ও বেশি মানুষের জন্য ব্যবহার করা সম্ভব। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যেখানে সরকারি অর্থায়নের সংকট রয়েছে, সেখানে আগের চেয়ে অনেক কম খরচে বেশি মানুষের জন্য এ পদ্ধতিতে টিকার ব্যবস্থা করা বেশ লাভজনক হবে। আর সরাসরি ত্বকের মাধ্যমে শরীরে মিশে যাওয়ায় প্রচলিত ব্যবস্থায় নেওয়া টিকার চেয়ে এটি আরো অনেক বেশি কার্যকর হবে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইন।


এ সম্পর্কিত আরো কিছু টুইট:

মন্তব্য দিনঃ

comments

About the author

জি এম পারভেজ@liTu

অনিবার্য কারণবশতঃ অনির্দৃষ্ট সময়ের জন্য অফলাইনে থাকবো। তবে কথা দিচ্ছি ফিরে আসব । বিদায়...

Permanent link to this article: http://techtweets.com.bd/research/gm-parvez/13381

2 comments

  1. রিপন কুমার

    ভালো লাগলো

    1. জি এম পারভেজ@liTu

      ধন্যবাদ ।

মন্তব্য করুন