«

»

এইডস কি? বাঁচতে হলে জানতে হবে।

প্রযুক্তির ব্লগ টেকটুইটস সহ অন্যান্য ব্লগে আমরা তরুনরাই বেশি ব্রাউজ করি। ইন্টানেট সারপিং ও আমরাই বেশি করি। আমাদের তরুন দের কোন সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার আগেই সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এ টুইট টি একটি সচেতট। তাই সবাইকে পড়ার জন্য অনুরোধ করছি। 

এইডস কী:

এইডস কোন বিশেষ একটি রোগ নয়, অনেকগুলো রোগের একত্রিত প্রকাশ। এতে সিডি-৪ লিম্ফোসাইটের সংখ্যা দুশ’র নিচে নেমে যায় এবং ল্যাব পরীক্ষায় রক্ত এইচআইভি পজিটিভ হয়। এর সঙ্গে আনুষাঙ্গিক যে সমস্ত রোগ দেখা দিতে পারে তারও ল্যাব ভিত্তিক প্রমাণ থাকাটা বাঞ্ছনীয়। আবার তিনটি ইংরেজী শব্দ Human Immunodeficiency Virus এর সংক্ষিপ্ত রূপ হল HIV (এইচআইভি) এইচআইভির কারনে এইডস হয়। কোন রোগ বা সংক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য শরীরের স্বাভাবিক ক্ষমতাকে এইচআইভি ক্রমান্বায়ে ধ্বংস করে দেয়। তাই, এইডস আক্রান্ত ব্যক্তি অতি সহজেই যেকোন রোগে (যেমন: নিউমোনিয়া, যক্ষ্মা, ডায়রিয়া) আক্রান্ত হয়ে পড়ে। চিকিৎসা বিজ্ঞান এইডস এর কোন প্রতিষেধক বা কার্যকর ওষুধ এখনও আবিষ্কার করতে পারেনি। 

মানবদেহে এইচআইভি প্রবেশ করার সাথে সাথেই শরীরে এইডস এর ল

ক্ষণ দেখা যায় না। এইচআইভি শরীরে প্রবেশ করার ঠিক কতদিন পর একজন ব্যক্তির মধ্যে এইডস এর লক্ষণ দেখা দেবে তা ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা এবং অঞ্চলভেদে ভিন্ন হয়। তবে এটা মনে করা হয়ে থাকে যে, এইচআইভি সংক্রমণের শুরু থেকে এইডস- এ উত্তরণ পর্যন্ত সময়ের ব্যাপ্তি সাধারণত ৬ মাস থেকে বেশ কয়েক বৎসর এবং কোন কোন ক্ষেত্রে ৫-১০ বৎসর অথবা তারও বেশি। এই সুপ্তাবস্থার তাৎপর্য হচ্হে, এই সময়ের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমিত একজন ব্যক্তি (যার শরীরে এইডস -এর কোন লক্ষণ যায় নি বা যে আপাতদৃষ্টিতে সুস্খ) তার অজান্তেই অন্য একজন সুস্থ ব্যক্তির দেহে এইচআইভি ছড়িয়ে দিতে পারে।

 এইডসের নামকরণ:

এইডস কথাটি Acquired Immune deficiency Syndrome-এর সংক্ষিপ্ত আকার। Acquired কথাটির অর্থ হল এই যে, এইডস বংশানুক্রমে হয় না কিংবা আপনা থেকেই শরীরের মধ্যে জন্মায় না। যৌনসংযোগের সময় যোনিপথ ও পায়ুপথের বহিরাবরণ বা মুখগহ্বরের মেমব্রেনের সাথে যৌনাঙ্গের সংস্পর্শের মাধ্যমে অথবা অন্য কোনভাবে এইচআইভি ভাইরাসযুক্ত যোনিরস বা লালা একজনের থেকে অপর জনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে এই রোগ হয়ে থাকে। যে কোন দূষিত রক্ত অথবা দূষিত রক্তের শুকনো কণা গ্রহণের মাধ্যমেও এ রোগ শরীরে ছড়ায়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার নাম হল ইমিউন সিস্টেম। বিভিন্ন রোগ এটাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এইচআইভি’র প্রধান লক্ষ্যই হল এই প্রতিরোধ ব্যবস্থাটি। এইচআইভি আক্রান্ত হবার ফলে শরীরে টি-হেলপার কোষ কমে যায়। এটাকে ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি বলে।

সিনড্রম (syndrome):

সিনড্রম (syndrome) একটি একক রোগ নয়, এটি অনেকগুলো রোগ এবং তার লক্ষণের সমন্বয়। আর এই সবগুলো বিষয় একত্রে সংক্ষিপ্ত আকারে Acquired Immunedeficiency Syndrome বা AIDS রোগের একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়।

এইডস এর প্রধান লক্ষনসমূহ:

এইডস -এর নির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। তবে, এইডস আক্রান্ত ব্যাক্তি অন্য যে রোগে আক্রান্ত হয় সে রোগের লক্ষণ দেখা যায়। এই লক্ষণগুলোর মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হচ্ছে:

  1. শরীরের ওজন অতি দ্রুত হ্রাস পাওয়া
  2. দীর্ঘদিন (দুমাসেরও বেশি সময়) ধরে পাতলা পায়খানা
  3. পুন: পুন: জ্বর হওয়া বা রাতে শরীরে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
  4. অতিরিক্ত অবসাদ অনুভব হওয়া
  5. শুকনা কাশি হওয়া ইত্যাদি।

উল্ল্যেখ যে কারো মধ্যে উপরিউক্ত একাধিক লক্ষণ দেখা দিলেই তার এইডস হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যাবে না। তবে, কোন ব্যক্তির এসব লক্ষণ দেখা দিলে বিলম্ব না করে অভিজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।


এ সম্পর্কিত আরো কিছু টুইট:

DVD/CD বা USB Memory ডিস্ককে Password দ্বারা নিরাপত্তা দিন
গবেষণায় নতুন দিগন্তঃ পানির সবচেয়ে বড় ভান্ডার মহাকাশে
হাই রেজুলেশনের কিছু মনের পছন্দ মত আর্ট করা ওয়ালপেপারের সৌন্দর্য উপভোগ করুন(যা ভালবাসবেন আপনিও)।
আপনার কম্পিউটার’কে সহজেই ওয়াই-ফাই হটস্পট বানিয়ে ফেলুন আর ইচ্ছে মত আপনার ইন্টারনেট সংযোগ শেয়ার করু...
একটি জনপ্রিয় ভুল কন্ট্রোল-অলটার-ডিলিট!
মানুষের যৌনতায় চাই ‘সেক্সবট’!
আপনি কিভাবে ফ্রিলান্সিং শুরু করবেন? 200$-400$

মন্তব্য দিনঃ

comments

About the author

অরন্য নিলয়

নীল আকাশ ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে করে। কিন্তু পড়া লেখা করতে ইচ্ছে করে না :(

Permanent link to this article: http://techtweets.com.bd/research/aronno-niloy/12327

1 comment

  1. জি এম পারভেজ@liTu

    একমাত্র সচেতনতাই পারে এইডস থেকে বাঁচতে, বাঁচাতে। আমি সচেতন, আপনারা সচেতন তো? ধন্যবাদ

মন্তব্য করুন