«

»

সত্য এবং মিথ্যে এবং Boolean Algebra

যারা ভবিষ্যতে বা এখন Digital Filed  বা ডিজিটাল কোন বিষয় নিয়ে পড়া লেখা, কাজ কর্ম অথবা কোন ডিজিটাল মেশিন সম্পর্কে ভাল ভাবে জানতে চান  তাদের Boolean Algebra সম্পর্কে ভালো ভাবে ধারনা থাকতে হবে। যদি প্রশ্ন যাগে এটা আবার কি, বা নামই জানি কি রকম আর এটাকে বুঝা জানি কত কঠিন হয়। তাই সবাইকে আগেই বলে রাখছি এটা সাধারন গণিত থেকেও অনেক সহজ।

George Boole 1840 সালে Boolean Algebra এর ধারনা দেন। সাধারন গণিত থেকে বুলিয়ান গণিতের অনেক পার্থক্য রয়েছে। Boolean Algebra মাত্র দুটি Variable বা চলক নিয়ে কাজ করে। একটা হচ্ছে 0 আরেকটা হচ্ছে 1, এ পৃথিবীর যত লজিক আছে সবগুলোকে 0 এবং 1 দিয়ে প্রকাশ করা যায়।

এবার দেখি কি কি প্রকাশ করা যায় Boolean Algebra দিয়েঃ

0 1
False True
Off On
Low High
Open Close
অনুপস্থিতি উপস্থিতি

কোন কিছু যদি উপস্থিত থাকে তাহলে আমরা তাকে ০ দিয়ে প্রকাশ করতে পারি উপস্থিত না থাকলে ১ দিয়ে। এরকম আরো কত কি।

Boolean algebra সাধারন Algebra এর মত ভগনাংশ, দশমিক, ঋনাত্তক সংখা, বর্গ, রুট, ঘন, লগ, জটিল সংখা ইত্যাদি নেই। মাত্র তিনটি মৌলিক Operator রয়েছে, সেগুলো হলঃ OR, AND, NOT. এই অপারেটর গুলোকে বলে লজিক অপারেটর। আর এ তিনটি অপারেটর ব্যবহার করেই সকল ইলেকট্রিক ডিভাইস তৈরি করা হয়।

টাইটেলে সত্য এবং মিথ্যে বলার কারন হচ্ছে যদি কোন স্ট্যাটমেন্ট মিথ্যে হয় তার মান হয় ০ এবং যদি কোন্য সত্য স্ট্যাটমেন্ট হয় তার মান হয় ১, যারা একটু লজিক্যাল মানুষ তাদের জন্য আরো সহজ। তাদের চিন্তার সাথে Boolean Algebra পুরোটাই মিল। যেমন কোন লজিকেল মানুষ চিন্তা করল আজ কি টেকটুইটস ভিজিট করছি?? যদি উত্তর হ্যা বা সত্য হয়  তাহলে মান হবে ১ এবং না বা মিত্যে হলে মান হবে ০ , এভাবে পৃথিবীর যত গুলো লজিক্যেল কাজ আছে সব গুলোকে Boolean Algebra বা ০ ও ১ দিয়ে প্রকাশ করা যায়। আর পুরো কম্পিউটার ই ছলে এ ০ ও ১ এর  উপর বা Boolean Algebra এর উপর ভিত্তি করে। যারা একটু যানে তারা তো জানেই। আর যারা জানে না তাদের জন্য বলছি, আমদের এই কম্পিউটার পুরোটাই ০ এবং ১ এর উপর বা Boolean Algebra দিয়ে চলছে। কম্পিউটারের ভাষা হচ্ছে Binary Number System বা ০ এবং ১, আর বাইনারি প্রদ্ধতি ব্যবহার করে সাথে Boolean Algebra প্রয়োগ করে যত ইলেকট্রিক বা ডিজিটাল ডিভাইস আছে সব গুলো চলে। আর এ পদ্ধতির জন্য বৈদ্যুতিক সিগনাল ব্যবহার করে।

যেমন একটি ডিজিটাল মেশিন ৫ ভোল্টে কাজ করে। যখন সে ৫ ভোল্ট পাবে তখন সিগনাল আছে মনে করে ১ ধরে নিবে। আর যখন ০ ভোল্ট মানে কোন ভোল্টেজ বা সিগনাল পায় না তখন তাকে ০ ধরে। আর এভাবেই একটি ইলেক্টিক মেশিন কাজ করে।

আমরা বৈদ্যুতিক সুইচ অন বা অফ করি তা এক ধরনের বুলিয়ান। যখন অন করি তখন বিদ্যুৎ চলাচল করে মানে তার মান হল ১, আর অফ করলে বিদ্যুৎ চলাচল বন্ধ হয়ে যায় তখন তার মান হয় ০।

আমার ইচ্ছে হচ্ছে Boolean Algebra এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া শিখানো নয়। কতটুকু পারছি তা আপনারা জানেন। আর যারা Boolean Algebra শিখতে চান তাদের জন্য George Boole এর লেখা Boolean Algebra  টির লিঙ্ক দিলাম। ডাউনলোড করে পড়তে পারেন।

ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://www.mediafire.com/?5g6106c290ukyv5


এ সম্পর্কিত আরো কিছু টুইট:

শুরু হলো বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো ২০১১ : আমাদের স্টলে স্বাগতম!
এক ICT এডুউকেশন পারে অনেক কিছু!
জিমেইলে সেন্ডারকে অটো-রিপ্লাই পাঠানোর কৌশল
ল্যাব থেকে শেখা একটা মজার সার্কিট!
পড়াশোনা করতে চান এম.আই.টি. তে?
ডিজিটাল বাংলা ক্যলেন্ডার ( মাএ ১.১২ মেগাবাইট )
অবশেষে প্রকাশিত হল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ৪র্থ বর্ষের পরীক্ষার রুটিন ও ২য় বর্ষের ফলাফল

মন্তব্য দিনঃ

comments

About the author

জাকির হোসাইন

প্রোগ্রামিং বা ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে টেকটুইটস সাহায্য বিভাগে পোস্ট দিতে পারেন অথবা আমাকে ফেসবুকে মেসেজ দিতে পারেন।

Permanent link to this article: http://techtweets.com.bd/academic/jakirbdl/880

6 comments

Skip to comment form

  1. aktabujjaman

    nice starting…..i know Boolean algebra…you write well for new viewers

    1. ঐ ছেলেটি
      jakir

      ধন্যবাদ। এটি জানলে ডিজিটাল দুনিয়া তার জন্য সহজ।

  2. foolish pritom

    thanks….

    website toirir prothom theke shesh porjonto nana bishoy niye tune korle upokrito hoi……..

    1. ঐ ছেলেটি
      jakir

      ইনশাআল্লাহ করব।

  3. RASHED

    ভাল লাগল

মন্তব্য করুন